অপরাধ

Must Read

আপুরা, আসুন সতর্ক হই …

আপুরা, আসুন সতর্ক হই ... ১। রাতে একা বহুতল ভবনের লিফটে উঠার সময় যদি কোন অচেনা এবং সন্দেহজনক পুরুষের পাল্লায় পরেন তখন...

একজন ডাক্তারের গল্পঃ

একজন ডাক্তার বাংলাদেশে প্রাইভেট হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে কানাডায় গিয়ে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সেলসম্যান হিসাবে যোগ দিলেন। স্টোরের মালিক জিজ্ঞেস করলেন-...

মানুষ-হ-মানুষ, অমানুষের-দল-মানুষ-হ

#মানুষ_হ_মানুষ   #অমানুষের_দল_মানুষ_হ আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় একটা ব্লেড দিয়ে আপনি সাধারণত কি কাজ করেন? আপনি হয়তো বলবেন "আমরা এটা...

অপরাধ

উপন্যাস

–ভাইয়া ভাইয়া আমাকে ছেড়ে দেন আমার অনেক ব্যাথা লাগে,(নিশি ৭ বছরের বাচ্চা)
চারদিকে অন্ধকার কোথাও কোন আলো নেই, রাস্তার দুপাশ দিয়ে শুধু ঝোপঝাড়,
সেখান থেকে বাচ্চা মেয়ের কান্নার শব্দ আসছে,
পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো মিতালি।
কান্নার শব্দ শুনে বুঝতে আর বাকি রইলো না
ওখানে কি হচ্ছে,
মিতালি পায়ের গতি বাড়াতে থাকে না হলে জানোয়ারদের স্বীকার হতে পারে,
এমন সময় একটি ছেলে আরেক টা ছেলে কে বলছে ব্লেড বের কর, কেটে বড় কর,
তখন মিতালির পা দাঁড়িয়ে যায়,
মেয়েটার চিৎকার মিতালির কানে লাগছে খুব,
এখন মিতালি কি করবে দিশেহারা,
মিতালির চিন্তা হলো মেয়েটাকে বাঁচতেই হবে,যে ভাবে হোক,
মিতালি আবার পায়ের গতি বাড়িয়ে
ছেলে দুইটার কাছে গেলো কিন্ত সেখানে ছেলে দুইটা না ৪টা ছেলে আর পিচ্ছি একটা মেয়ে,,,
মিতালি – মেয়ে টা কে ছেড়ে দে জানোয়াররের বাচ্চা,
–মামা এত দেখি মেঘনা চাইতেই,,,
মিতালি —আগে মেয়ে টা কে ছেড়ে দে,
একজন বলে উঠলো পিচ্ছিটা কে ছাড় বড় টা কে ধর,,,
প্রায় ১ঘন্টা পর,,,
ধর্ষণ করে মিতালি কে ফেলে গেছে ব্যথায় দাঁড়াতে পারছে না,
দুইবার দাঁড়াতে গিয়ে পড়ে যায়,
৩য় বার পড়তে গেলে পিচ্ছি মেয়েটি হাত ধরে ফেলে,,,
পিচ্ছি মেয়েটা হেঁচকা টান দিয়ে মিতালি কে তোলে,
কিন্ত ব্যথায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না,
মেয়েটির কাধে ভর দিয়ে পথ চলতে থাকে,,,,,,
পিচ্ছি মেয়ে- আপু তোমার কি অনেক ব্যথা লেগেছে,
মিতালি -………. (চুপ)
পিচ্ছি–আপু তুমি অনেক ভালো,,
মিতালি – তোমার বাসা কোথায়,,,
পিচ্ছি- আমার বাসা…….তিন নাম্বার রোডে শুরুতে যে বাড়িটা ঐটাই আমাদের বাসা,
মিতালী খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটছে মাঝে মাঝে আবার ব্যথার যন্ত্রণায় আচমকা দাঁড়িয়ে পড়ে,,,
কোথাও কোন রিকশা নেই পুরো আকাশ মেঘলা মনে হচ্ছে এখনি বৃষ্টি নামবে,
পিচ্ছি মেয়েটির নাম এখনো মিতালি জানে না,
মিতালি – আচ্ছা তোমার নাম কি?
—আমার নাম নিশি,
মিতালী আর নিশি হাটতে হাটতে
২য় পর্ব সবার আগে পরতে চাইলে রিকোয়েস্ট দিয়ে ছোট্ট একটা মেসেজ দিবেন
নিশির বাসায় যায়,
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে নিশি কলিং বেল চাপ দেয়,
এমন সময় মিতালীর রক্ত খরণ শুরু হয় হয়,
মিতালী আর ব্যথায় যন্ত্রণায় টিকে থাকতে না পেরে ধপাস করে দরজার সামনে বসে পড়ে,
আর এমন সময় দরজা খোলে একজন মহিলা,
নিশি কে দেখেই জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দেয়,,,
মহিলা টি চিল্লাচিল্লি করে ডাকতে থাকে আমার মা ফিরে আসছে,আমার নিশি কে পাওয়া গেছে,
ভিতর থেকে একটা ছেলে আসে মিতালি তাকিয়ে দেখে ছেলেটা কে চেনা চেনা লগছে,
–আরে এই ছেলে তো ঐ ৪জন ধর্ষকের একজন,,এই ছেলে এখানে কি করে৷ নিশির কি হয়,
ডাক শুনে আরেক জন বের হিয়ে আসলো মিতালির bf রিহাম বের হয়ে আসলো,৷
মিতালি জানতো না এটা তার বয়ফ্রেন্ডের বাসা।
রিহাম কে দেখে মিতালি অবাক হয়ে যায়। কিন্তু তার শরীর থেকে প্রচুর রক্ত খনন হচ্ছে সে ব্যাথায় দারাতে পারছে না তাই তাকে দরে নিয়ে সুইয়ে দেয় নিশির মা বেথায় মিতালির জর চলে আসে তার চোখ দিয়ে শুধু পানি পরছে । তারপর নিশি মিতালির রুমে আসলো এসে বললো এখন কেমন আছো আপু
মিতালি ঃ হুম একটু ঠিক আছি। আচ্ছা নিশি দুই টা ছেলে আসছিলো না ওরা তোমার কি হয়
নিশি ঃ একটা আমার ভাইয়া আরেক টা ভাইয়ার বন্ধু রিহাম ভাইয়া আমার ভাইয়ার ফেন্ড
মিতালি ঃ( মনে মনে ছি ছি ছি কি নিচ মানুষ নিজের বোনের সাথে এমন করলো এদের শাস্তি একদিন পেতেই হবে) ওওওও তাই বুঝি
৩য় পর্ব কালকে দিবো! সবার আগে পরতে চাইলে রিকোয়েস্ট দিয়ে ছোট্ট একটা মেসেজ দিবেন।
নিশি ঃ হুম আপু তাই আর আপু যানো রিহাম ভাইয়া না খুব ভালো আমাকে প্রতি দিন চকলেট কিনে দেই
মিতালি ঃ( মনে মনে কি বলবো তোমায় সে যে কত টা নিচ) ও তাই বুঝি তাহলে তো অনেক ভালো
নিশি ঃ হুম আপু খুব ভালো আচ্ছা আমি যায় তুমি ঘুমাও কেমন
মিতালি ঃ আচ্ছা যাও। তারপর মিতালি বেথায় আর জরে কাপছে তাই নিজের অজান্তেই সে ঘুমিয়ে পরে
সকাল বেলা উঠেই কিছু খেয়ে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায় মিতালি
মিতালি বাসায় প্রায় রেস্ট নায় ১ মাস তারপর সে একটু সাভাবিক হয়ে উঠে
তাদের কে নিয়ে ভাবতে থাকে মিতালি যারা ওর সাথে এমন করছে আর ও ১৫ ও দিন চলে যায়
কিছুই ভেবে পাই না সে
প্রায় দের মাস পর মিতালি বাইরে বের হয় তখন তার বয়ফেন্ড কে দেখতে পাই অন্য একটা মেয়ের সাথে হাত ধরে ঘুরছে তারপর মিতালি কাছে যেতেই রিহাম তাকে টাস করে একটা থাপ্পড় মারে এই শালি এত দিন কোথায় ছিলি আর শোন একটা কথা এটা আমার জিএফ তোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই বেবি এদিকে আসো তো
রিহাম ঃ ওর নাম সুইটি আর শোন আজকের পর থেকে তোর সাথে আমার সব সম্পর্ক শেষ
মিতালি ঃ কিছু না বলে চলে আসলো
তার পর মিতালি আবার ভাবতে লাগলো কারা তার সাথে এমন করলো প্রায় ২০ দিন পর মিতালি সেই চার পশুর নাম জানতে পারলো যারা তার সাথে এমন করছে
শুভ, রিহাম, আবিদ, এবং নিশির ভাইয়া জিসান এই চার জন
তারপর মিতালি প্রথম টার্গেট করলো শুভ কে। ও হ্যা আপনাদের একটা কথা বলা হয় নাই যখন মিতালি কে রেপ করে তখন তার চেহারা কেও দেখতে পাই নাই। তাই তার বয়ফেন্ড ও তাকে চিনতে পারে নাই
মিতালি বুদ্ধি খাটিয়ে শুভোর সাথে প্রেমের নাটক করা শুরু করলো তাদের প্রেম খুব জমে উঠে ছিল তার পর শুভ মিতালি কে বললো জান আমার বাড়ি আজকে খালি আছে আসবে নাকি রাতে
মিতালি ঃ( মনে মনে শয়তানি হাসি দিয়ে) হরে আমার দুষ্টুটা আসবো তো সমস্যা নেই
শুভ ঃ আচ্ছা এসো। অপেক্ষায় থাকবো কিন্তু
মিতালি ঃ আচ্ছা আসবো তো বলছি না
তারপর রাতে মিতালি শুভোর বাসায় গেলো যাওয়ার পর শুভ মিতালি কে টান দিয়ে বিছিনায় শুয়ে দিল প্রায় ২০ মিনিট একে অপর কে কিস করতে থাকে তারপর মিতালি বলে আচ্ছা থামো আগে এটা খাও একটা গ্লাসে পানি দিয়ে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয় মিতালি।
সেটা খেয়ে শুভ ঘুমিয়ে পরে
তারপর মিতালি শুভোর সব কিছু খুলে দিয়ে তার গায়ে কেরোসিন তৈল ছিটিয়ে দেয়।
তারপর আগুন গিয়ে পুরো শরীর জলিয়ে দেয় তার শরীল তখন মিতালি জোরে জোরে হাসতে থাকে আর বলে তোদের মতো
পশু দের শাস্তি এটাই তারপর মিতালি পুরো বাড়ি আগুন লাগিয়ে দেয় সকালে পুলিশ জানতে পারে গ্যাস ছেলেন্ডার থেকে এমন হয় বাড়িতে।
এবার আবিদ তোর পালা হাসতে থাকে মিতালি রেডি থাকিস জানোয়ার।
আবিদ কে ফাসানোর জন্য মিতালি বারো ভাতারি হয়ে যায় রাস্তায় রাস্তায় বলতে থাকে ১ রাত ৫০০ টাকা তখন আবিদ দেখে বলে মাল টা তো সেই
আবিদ গিয়ে মিতালি কে বলে ১ রাত তোকে ২০০০ দিবো যাবি আমার সাথে
মিতালি ঃ আচ্ছা ঠিক আছে চলেন
আবিদ মিতালি কে নিয়ে যায় তার বাসায় তখন মিতালি আবিদ কে সুইয়ে দেয় এবং বলে স্যার হাত পা একটু বাধি
আবিদ ঃ কেন কি করবি
মিতালি ঃ ভালো হবে দেখেন না একটু
আবিদ ঃ আচ্ছা বাধ
তখন মিতালি খুব শক্ত করে আবিদের হাত পা বাধে
এবং তার সব কাপুর খুলে ফালাই আবিদ খুলিতে চোখ বন্ধ করে ফেলে মিতালি একটা শয়তানি হাসি দিয়ে তার ব্যাক থেকে পিঁপড়ার একটি পলি বের করে তারপর আবিদের শরীলে ছেড়ে দায় আবিদ ও মা বাঁচাও ও মা বাঁচাও মিতালি কিরে এখন কেমন লাগে জানোয়ার আমাদের ও ঠিক এমন টাই লাগছিলো।
কিন্তু তোরা পশুর মতো আমাকে আর বলতে পারছে না মিতালি ঠিক এমন ভাবে নিশি ও বলছিল ছেড়ে দাও ভাইয়া।
আমায় খুব বেথা লাগছে আমার কিন্তু তোরা তো পশু ওই বাচ্চা টাকেও ছাড়িস নাই তোদের শাস্তি এটাই আবিদ চিলতে চিলতে বেহুস হয়ে যায় তখন মিতালি বিষ খাইয়ে দেয় এবং পুলিশ যেন।
না জানে তাই তার হাতে রেখে দেয় বিষের শিশা পুলিশ সকালে জানতে পারে ডিপ্রেশনে পড়ে অত্মহত্যা করেছে।
যারা প্রতি নিয়ত এমন গল্প পরতে চান! তাহলে সবার আগে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে ছোট্ট একটা মেসেজ দিবেন।
এর পর টার্গেট তিন নিশির ভাইয়া জিসান। প্রায় দুইদিন ভাবার পর মিতালি জিসান কে মারার জন্য তাকে ফোন দেয় যেখানে তাদের কে রেপ করছিলো ঠিক ওখানে রাত ১১ টার সময় মিতালি আর জিসান একসাথে জঘন্য খেলা খেলে তারপর মিতালি সরে এসে একটা ছুরি বের করে মিতালি তার সমস্ত শক্তি দিয়ে জিসানের পেটে ডুকিয়ে দেয় দুই তিন বার জিসান মাটিতে সুয়ে পড়ে তারপর মিতালি জিসানের বুক খুলে ওখানে লেখে দায় তোর মতোন ভাই যেন পৃথিবীতে আর একটা না জম্মায় যে নিজের বোনের সাথে ছি ছি ছি।
কয়েক দিন আর বাইরে যায় না মিতালি যায় না এখন যে তার প্রিয় মানুষ কে শেষ করতে হবে তাই সে একরাত শুধু কান্না করে কি দোষ ছিল আমার তোকে ভালো বাসা এই সব ভাবে আর কান্না করে তারপর নিজেকে শক্ত হতে বলে মিতালি।
মিতালি তোকে শক্ত হতে হবে এইসব পাপীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য।
মিতালি তার বয়ফেন্ড কে বলে তুমি যা চাও আমি তাই মেনে নিবো! তাও আমার সাথে ব্রেকআপ করো না প্লিজ।
রিহাম ঃ আচ্ছা আমি তোকে নিয়ে আজ সারারাত কাটাতে চাই আসবি
আচ্ছা আমি আসবো তুমি যা চাও তাই হবে
প্রিয় মানুষ টার ছোঁয়া পেয়ে বার বার কেঁপে উঠে মিতালি
তখন বলে আচ্ছা চলো বাথরুমে যায় ওখানে গিয়ে মিতালি একটা রড বের করে আঘাত করে রিহামের মাথায় পড়ে যায় মাটিতে তারপর বেলেট বের করে কচু খাটা কাটে রিহামের শরীল আর কান্না করে প্রচুর মিতালি।
এই ভাবে পশু গুলোর শাস্তি দেয় মিতালি
 
                                                                                                 সমাপ্ত
 
সম্মানিত বোনদের বলবো! কখনো রাতে একা বের হবেন না! কারণ কিছু কিছু জানোয়ার আছে রাতে আপনাকে একা পেয়ে আপনার পাশে না দাঁড়িয়ে আপনার সুযোগ নিবে!
বেশি দুরে যেতে হবে না! লেগুনাতে বা টেম্পু তে দেইখেন! কিছু কিছু জানোয়ার আছে! তার পাশে যদি কোন বোন বসে তাহলে! তার মনে হয় আসমানের চাদ টা পেয়ে গেছে!
কারণ এমন ভাবে বসে! যেনো সাথে কোন বোন থাকলে!
সে পারে না! সেই বোনের সাথে একেবারে মিসে যাইতে! এমন ভাবে বসে!
এরকম কিছু শ্রেনির মানুষের মাথায় যদি! এমন কিছু থাকতো!
যে আজ আমি অন্যের মা বোনের সাথে এমন করতেছি! কাল তো আমার মা বোনের সাথেও অন্য কেউ এমন করতে পারে!
সবার মাথায় যদি এরকম মেন্টালি থাকতো না! তাহলে আমার মা বোনরা অনেক ভালো ভাবেই দেশে চলাফেরা করতে পারতো!
 

 

Emran Hossain Rony

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest News

আপুরা, আসুন সতর্ক হই …

আপুরা, আসুন সতর্ক হই ... ১। রাতে একা বহুতল ভবনের লিফটে উঠার সময় যদি কোন অচেনা এবং সন্দেহজনক পুরুষের পাল্লায় পরেন তখন...

More Articles Like This